একজন অলরাউন্ডার হলেন সেই খেলোয়াড় যিনি ব্যাটিং এবং বোলিং—উভয় বিভাগেই পারদর্শী। ক্রিকেটে একজন ভালো অলরাউন্ডার দলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য। কারণ একজন অলরাউন্ডার দলে অন্তর্ভুক্ত থাকলে অধিনায়ক একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান বা বোলার খেলানোর সুযোগ পান। অলরাউন্ডাররা সাধারণত দুই ধরনের হন: ব্যাটিং অলরাউন্ডার (যারা ব্যাটিংয়ে বেশি দক্ষ কিন্তু কার্যকর বোলিংও করেন) এবং বোলিং অলরাউন্ডার (যারা বোলিংয়ে প্রধান কিন্তু প্রয়োজনে ভালো রান করতে পারেন)।
ক্রিকেট ইতিহাসে গ্যারি সোবার্সকে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার মনে করা হয়। এরপর ইমরান খান, ইয়ান বোথাম, রিচার্ড হ্যাডলি এবং কপিল দেবের মতো খেলোয়াড়রা ১৯৮০-র দশকে ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করেছেন। আধুনিক যুগে দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিসকে সবচেয়ে পরিসংখ্যানগতভাবে সফল অলরাউন্ডার ধরা হয়, কারণ তার রান এবং উইকেট সংখ্যা অবিশ্বাস্য। এছাড়া বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিন ফরম্যাটেই আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থেকে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উত্থানের ফলে বর্তমানে অলরাউন্ডারদের চাহিদা আরও বেড়ে গেছে, কারণ ছোট ফরম্যাটে কম সময়ে মাল্টি-টাস্কিং খেলোয়াড়রা বেশি কার্যকর।
Post a Comment
Post a Comment