জ্যামিতিতে অন্তঃস্থ কোণ (Interior Angle) সাধারণত দুটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
১. বহুভুজের ক্ষেত্রে
কোনো বহুভুজের (যেমন—ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, পঞ্চভুজ ইত্যাদি) দুটি পরপর বাহু যুক্ত হয়ে ক্ষেত্রটির ভেতরের দিকে যে কোণ তৈরি করে, তাকে অন্তঃস্থ কোণ বলে।উদাহরণ: একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহু ভেতরে যুক্ত হয়ে ৩টি কোণ তৈরি করে; এই ৩টি কোণই হলো ত্রিভুজটির অন্তঃস্থ কোণ।
২. সমান্তরাল রেখা ও ছেদকের ক্ষেত্রে
দুটি সরলরেখাকে অন্য একটি সরলরেখা (ছেদক) ছেদ করলে রেখা দুটির মধ্যবর্তী ভেতরের অংশে যে কোণগুলো উৎপন্ন হয়, সেগুলোকে অন্তঃস্থ কোণ বলা হয়।
অন্তঃস্থ কোণের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র ও বৈশিষ্ট্য
ত্রিভুজের ক্ষেত্রে: ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণের যোগফল সব সময় 180° বা ২ সমকোণ।
চতুর্ভুজের ক্ষেত্রে: চতুর্ভুজের চারটি অন্তঃস্থ কোণের যোগফল সব সময় 360° বা ৪ সমকোণ।
বহুভুজের সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র: n-সংখ্যক বাহুবিশিষ্ট যেকোনো বহুভুজের সকল অন্তঃস্থ কোণের যোগফল:
সমষ্টি = (n - 2) \180°
বহিঃস্থ কোণের সাথে সম্পর্ক: যেকোনো নির্দিষ্ট শীর্ষবিন্দুতে অন্তঃস্থ কোণ এবং তার পাশের বহিঃস্থ কোণের যোগফল সব সময় 180° হয়।
অন্তঃস্থ কোণ + বহিঃস্থ কোণ = 180°
Post a Comment
Post a Comment